• শনিবার   ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||

  • আশ্বিন ৩ ১৪২৭

  • || ০১ সফর ১৪৪২

৩৭

জুমার দিন বা রাতে মৃত্যুবরণ কল্যাণের

দৈনিক বগুড়া

প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০  

পবিত্র জুমার দিন সম্পর্কে হাদিসে এসেছে, এমন কোনো দিনে সূর্য উদয়াস্ত হয় না, যে দিন জুমার দিন হতে উত্তম। এ দিন এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে; যদি কোনো মুমিন বান্দা তা পেয়ে যায় এবং মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালার কাছে কোনো কল্যাণের প্রার্থনা করে, আল্লাহ তায়ালা তা মঞ্জুর করেন। আর কোনো বান্দা যদি অকল্যাণ থেকে রেহাই চায়, তবে আল্লাহ তায়ালা তাকে রেহাই দান করেন। (মুসনাদে আহমদ)।

এতো গেলো দুনিয়ার জিন্দেগিতে পবিত্র জুমার দিনের ফজিলত। যদি কোনো ব্যক্তি জুমার দিনে মৃত্যুবরণ করে, তার ব্যাপারে হাদিসে এসেছে-

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যেকোনো মুসলমান জুমার দিনে কিংবা জুমার রাতে মৃত্যুবরণ করে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা তাকে কবরের ফিতনা হতে নিরাপদ রাখেন। (মুসনাদে আহমদ, তিরমিজি, বাইহাকি, মিশকাত)।

এ হাদিসটির ব্যাখ্যায় এসেছে যে, ফিতনা দ্বারা কবরের মুনকার-নাকিরের জিজ্ঞাসাবাদ অথবা কবরের আজাবকে বুঝানো হয়েছে। হজরত আবু নুআ’ইম তার হিলয়া’ গ্রন্থে হজরত জাবের রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন, যাতে কবরের আজাবের কথা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

যেহেতু জুমা প্রতি সাতদিনে একবার করে মুসলিম উম্মাহর নিকট উপস্থিত হয়। সুতরাং সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন জুমার দিনকে যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে ইবাদাত-বন্দেগিতে অতিবাহিত করা উচিত। যারা জুমার দিনের হক আদায় করেন; ইবাদাত-বন্দেগি তথা দোয়া কবুলের সময় দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ কামনা চেষ্টা করেন। আশা করা যায়, আল্লাহ তায়ালা সেসব বান্দাকে দুনিয়া ও পরকালের কামিয়াবী দান করবেন। 

ইয়া রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালা! আমাদের জুমার দিনে ঈমানি মৃত্যু নসিব করুন। আমিন।

দৈনিক বগুড়া
দৈনিক বগুড়া
ধর্ম বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর