• বুধবার   ০৫ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২০ ১৪২৭

  • || ১৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

২৬

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে বগুড়া এফপিএবি তিন উপ:শ্রেষ্ঠ সম্মাননা অর্জন

দৈনিক বগুড়া

প্রকাশিত: ১১ জুলাই ২০২০  

আজ ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও দিনটি যথাযথভাবে পালিত হচ্ছে। তবে এবছর বৈশ্বিক মহামারী নভেল করোনা ভাইরাসের কারনে বেশিরভাগ জেলাতেই ভার্চুয়াল সভার আয়োজন করা হয়েছে।

সকালে বগুড়া জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের আয়োজনে জনসংখ্যা দিবসের আলোচনা সভা প:প: বিভাগের উপ-পরিচালক  কাজী ফারুক আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক  উজ্জল কুমার ঘোষ। ভার্চুয়াল এ সভায় এফপিএবি বগুড়া শাখার সভাপতি জাতীয় পরিষদ সদস্য মিসেস সুরাইয়া বারী, নির্বাহী পরিষদ সদস্য আতিকুর রহমান মিঠু, জাতীয় কাউন্সিলর মুশফিকা ইয়াছমিন মিথিলা, জেলা কর্মকর্তাসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।এ বছর এফপিএবি বগুড়া শাখা জেলার তিনটি উপজেলায় শ্রেষ্ট বেসরকারী সংস্থা হিসেবে পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছে।

শাজাহানপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মাহমুদা পারভীন ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জনাব সানোয়ার হোসেন। প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও দিনটি যথাযথভাবে পালিত হচ্ছে। তবে এবছর বৈশ্বিক মহামারী নভেল করোনা ভাইরাসের কারনে বেশিরভাগ জেলাতেই ভার্চুয়াল সভার আয়োজন করা হয়েছে। এবছর জনসংখ্যা দিবসের প্রতিপাদ্য “মহামারি কোভিড-১৯কে প্রতিরোধ করি, নারীওকিশোরীর সুস্বাস্থ্যের অধিকার নিশ্চিত করি।

১৯৯০ সালের ডিসেম্বর মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪৫/২১৬ নং প্রস্তাব পাসের প্রেক্ষিতে প্রতি বছর ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হচ্ছে। বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়া কোভিড-১৯এর জন্য পুরো পৃথিবী আজ বিপযস্থ। মানব সমাজের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা থমকে গেছে। করোনা ভাইরাস বিশ্বব্যাপী নারীর প্রতি সহিংসতা বৃদ্ধির এবং প্রজনন স্বাস্থ্যের উপর মারাত্বক প্রভাব ফেলেছে। এবারের জনসংখ্যা দিবসের মূল লক্ষ্য এই মহামারিতে নারী ও কিশোরীদের যৌন প্রজনন স্বাস্থ্যসেবার প্রয়োজনীয়তা এবং এসকল ক্ষেত্রে সেবাপ্রাপ্তির বিষয়ে সকলকে সচেতন করা।

গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে বিভিন্ন জনমিতিক সূচকে অভাবনীয় অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। শিশুমৃত্যুর হার হ্রাসে সাফল্যের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথমবারের মত এমডিজি অ্যাওয়াড-২০১০অর্জন করেছেন। মাতৃমৃত্যুর অনুপাত(প্রতি হাজার জীবিত জন্মে)২০০৪ সালে ৩.২০জন যা বর্তমানে হাস পেয়ে ১.৬৫ হয়েছে।(তথ্য:মনিটরিং দ্যা সিচুয়েশন অব ভাইটাল স্টাটিস্টিক্স অব বাংলাদেশ-২০১৯)নবজাতকের(০-২৮)দিন মৃত্যু(প্রতি হাজার জীবিত জন্মে) ২০০৬ সালে ছিল ৬৫জন।যা বর্তমানে হ্রাস পেয়ে হয়েছে ২৮ জন।(সুত্র:এমএসভিএসবি-২০১৯)।

জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১৯৭৪ সালে ২.৬১থেকে ২০১১সালে ১.৩৭এ হ্রাস পেয়েছে।(আদম সুমারী চুড়ান্ত প্রতিবেদন-২০১৯)।পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতির ব্যবহারকারীর হার ১৯৭৫ এর ৭.৭ থেকে ২০১৭সালে ৬৩.৪এ উন্নীত হয়েছে(সুত্র:এমএসভিএসবি-২০১৯)।মোট প্রজনন হার বা নারী প্রতি গড় সন্তান জন্মদানের হার ১৯৭৫ এর ৬.৩ থেকে ২০১৭সালে ২.০৪এ হ্রাস পেয়েছে।

এসকল বিষয়ে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহন করে সারাদেশে সেবাদান অব্যহত রেখেছে। অধিদপ্তরের সহায়ক ও পুরপূরক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতি(এফপিএবি)সহ বেসরকারী বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান সারাদেশে সেবা প্রদান করে আসছে। জনসংখ্যা দিবসে আমাদের সকলের নারী ও কিশোরীদের প্রতি বেশী দায়িত্বশীল আচরণ করার মাধ্যমে দিবসের আয়োজন সফল হবে এই প্রত্যাশা।

দৈনিক বগুড়া
দৈনিক বগুড়া
বগুড়া বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর