• বুধবার   ০৫ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২১ ১৪২৭

  • || ১৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

২৩

হাসিটা কখনো ম্লান হয়নি

দৈনিক বগুড়া

প্রকাশিত: ১০ জুলাই ২০২০  

সাহারা খাতুন আলোচনায় আসেন ৮০র দশকে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে লড়াকু সৈনিক হিসেবে। হরতাল, অবরোধে সবার সামনে থাকতেন। পিকেটিং করতে যেয়ে পুলিশের মার খেতেন। ৯১ এর উপ নির্বাচনে ষড়যন্ত্র করে খুব অল্প ভোটের ব্যবধানে তাকে পরাজিত করা হয়েছে, মনোনয়ন পাননি ৯৬ এবং ২০০১ এর নির্বাচনেও। কিন্তু তার মিষ্টি হাসিটা কখনো ম্লান হয়নি।

কাজ করে গেছেন দলের জন্য। নেত্রীর কথা অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সাথে আদর্শিক দায়িত্ব পালন করেছেন । ২০০৭ সালে ওয়ান ইলেভেনের আগেও উত্তাল আন্দোলনে সাহারা ছিলেন বীরের মতোই। পুলিশের লাঠি পেটা, নির্যাতন কোনো কিছুই তাঁকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে টলাতে পারেনি। ওয়ান ইলেভেনের পর সাহারা খাতুন তাঁর জীবনে প্রথম ‘বসন্তকাল’ দেখেন। ২০০৮ এর নির্বাচনে তিনি অংশগ্রহন করে তিনি লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন। তাঁকে করা হয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সৎ, একনিষ্ঠ একজন রাজনৈতিক কর্মীর এরচেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কি হতে পারে?

রাজনীতিকে পেশা হিসাবে গ্রহণ করে সরকারের অনেক সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর আয়েই উল্লম্ফন হয়েছে। কিন্তু সকলের মাঝেও ব্যতিক্রমী সাবেক সরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে যা পেয়েছেন তার সবই তিনি জনগণের কল্যাণে ব্যয় করেছেন। নিজের বলতে কিছুই রাখেননি তিনি, নেই কোনও সম্পদও।

সাহারা খাতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে কতটা সফল, কিংবা ব্যর্থ-তার বিচার করবে ইতিহাস। পুলিশ বাহিনির প্রায় সিংহভাগ সফলতা এবং উন্নয়নের সময় ছিল এডভোকেট সাহারা খাতুনের মন্ত্রিত্বকালীন অবস্থায়।  পূর্ব এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে সর্ব প্রথম মহিলা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এডভোকেট সাহারা খাতুন, এবং সুশাসনের মাধ্যমে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার অন্যতম নায়ক এডভোকেট সাহারা খাতুন। পুলিশ বাহিনির যে অর্জন রয়েছে ইতিহাসের পাতায় সেই উন্নয়নের কথা স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

দৈনিক বগুড়া
দৈনিক বগুড়া
জাতীয় বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর