শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১

একটা মানুষ চলে গেলে তো আর ধরে রাখা যায় না: পরীমণি

একটা মানুষ চলে গেলে তো আর ধরে রাখা যায় না: পরীমণি

বেশ ভালোই চলছিল চিত্রনায়িকা পরীমণি ও অভিনেতা শরিফুল রাজের সংসার। হঠাৎ করে আবারও আলোচনায় আসেন পরী-রাজ। এর কারণ গত সোমবার (২৯ মে) দিনগত রাতে রাজের ফেসবুক আইডি থেকে ফাঁস হওয়া কিছু ভিডিও ও ছবি। এরপর থেকেই পরী-রাজের সংসারের অশান্তির খবর চলে আসে গণমাধ্যমে।

ভিডিও ও ছবি ফাঁসের ঘটনায় তখন পরীমণিকে অভিনেত্রী সুনেরাহ বিনতে কামাল বিভিন্নভাবে দায়ী করেন। পরীও এ কথায় থেমে থাকেননি। এর জবাবে পরী তখন জানান, রাজ গত ১০ দিন তার সঙ্গে থাকছেন না। এবার প্রকাশ্যে এলো রাজ-পরীর সংসারের দাম্পত্য কলহের কথা। গণমাধ্যমকে পরী জানান, কল্পনাতেও রাজকে তিনি আর নিজের জামাই বলে মনে করতে চাচ্ছেন না।

এদিকে গত ২০ মে ঘটনার কথা জানাতে গিয়ে পরীমণি বলেন, রাজ সেদিন বাইরে ছিল, সেলিম ভাই (পরিচালক) ও তার বউ তাকে সঙ্গে নিয়ে বাসায় এসেছিল। আসার আগে সেলিম ভাই আমাকে ফোন দিয়ে বললেন, আমি রাজকে সঙ্গে করে নিয়ে তোমার বাসায় আসছি। এসে বলেন, ‘রাজ তো তোমার সঙ্গে থাকতে চায় না। বিচ্ছেদের ব্যাপারে চিন্তা করতে পারো।’ আমি বললাম, ‘ও আমার সঙ্গে থাকতে চায় না, তাহলে ও–ই আমাকে ডিভোর্স দিক। আমি কেন দিতে যাব।’ পরে সেলিম ভাই বললেন, যদি তোমাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়, তাহলে বাচ্চাকে দেখভাল করতে কীভাবে কী করবে, চিন্তাভাবনা করে দেখো। এরপর আমি বললাম, বাচ্চা আমার কাছেই থাকবে। তবে বিচ্ছেদ হওয়ার পর অবশ্যই সে বাচ্চা দেখতে আসতে পারবে। তবে শর্ত, সে অস্বাভাবিক সময় বাসায় আসলে বাচ্চাকে দেখতে দেব না। যদি রাত চারটায় আসে, ভোরবেলায় আসে, তাহলে তো বাচ্চা দেখতে দেওয়ার সুযোগই নাই। স্বাভাবিক, সঠিক সময়ে এসে সে বাচ্চা দেখতেই পারে। কোনো সমস্যা নাই।

এরপর পরীর কাছে জানতে চাওয়া হয়, তাহলে কি বিচ্ছেদের দিকে যাচ্ছে আপনাদের সংসার? এ প্রশ্নের উত্তরে পরীমণি বলেন, ও তো আমাকে ছেড়েই চলে গেছে, বিচ্ছেদ তো হয়েই গেছে। আমি আর কল্পনায়ও ভাবতে চাই না শরীফুল রাজ আমার জামাই। একটা মানুষ চলে গেলে তো আর ধরে রাখা যায় না।’

হাসতে হাসতে পরী আরও বলেন, ‘রাজ এখন বলে কী, আমাদের বিয়ের কাবিননামা নাকি ভুল। আমাদের নাকি ঠিকঠিক বিয়েই হয়নি। যে এভাবে বলতে পারে, সে ভয়ংকর মানুষ। তার সঙ্গে থাকা যাবে না। আমি চাই সে আমাকে তালাক দিক। আমি ওর প্রাক্তন, এটাই শুনতে আমার আরাম লাগবে। আমি রাজের বউ, এটি আর শুনতে চাই না।’

দৈনিক বগুড়া

সর্বশেষ: