শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১

বগুড়ায় শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় মজনু এমপি

বগুড়ায় শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় মজনু এমপি

সংগৃহীত

বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মজিবর রহমান মজনু এমপি বলেছেন, বঙ্গবন্ধুকন্যার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনরুদ্ধার হয়।

১৯৮১ সালের৷ এই দিনে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে এক নজর দেখার জন্য সারা দেশের মানুষের গন্তব্য ছিল রাজধানী ঢাকা। ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয় ঢাকার রাজপথ।স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয় বাংলার আকাশ বাতাস। তিনি আরো বলেন দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও স্বপ্ন বাস্তবায়নের দৃঢ় অঙ্গীকার, বঙ্গবন্ধু হত্যা ও জাতীয় চার নেতা হত্যার বিচার, স্বৈরতন্ত্রের চির অবসান ঘটিয়ে জনগণের হারানো গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার শপথ নিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন শেখ হাসিনা। শত প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে স্বাধীন সার্বভৌম এ দেশকে নিয়ে গেছেন এক অনন্য উচ্চতায়।

শুক্রবার ( ১৭ মে ) বিকেলে বগুড়া সাতমাথায় মুজিব মঞ্চে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আলোচনা সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু এমপি। তিনি বলেন, খুনি সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করতে না দেওয়ার জন্য সব ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।সামরিক শাসকের রক্তচক্ষু ও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ১৯৮১ সালের ১৭ মে প্রিয় স্বদেশ ভূমিতে প্রত্যাবর্তন করেন শেখ হাসিনা। দীর্ঘ ৬ বছর নির্বাসিত জীবন শেষে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে ফিরে আসেন তিনি। সেদিন রাজধানী ঢাকা মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ঢাকা শহর মিছিল আর স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া আর প্রচন্ড ঝড়-বৃষ্টিও সেদিন লাখ লাখ মানুষের মিছিলকে গতিরোধ করতে পারেনি। কুর্মিটোলা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও শেরেবাংলা নগর পরিণত হয় জনসমুদ্রে।

জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল রাজী জুয়েলের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মতিন, প্রদীপ কুমার রায়, অ্যাড. আমানউল্লাহ, একেএম আসাদুর রহমান দুলু, জাকির হোসেন নবাব, শাহাদাৎ আলম ঝুনু, অ্যাড. তবিবর রহমান তবি, নাসরিন রহমান সীমা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনিসুজ্জামান মিন্টু, মাশরাফী হিরো, রুহুল মোমিন তারিক, আনোয়ার পারভেজ রুবন, খালেকুজ্জামান রাজা, আবু সেলিম, শামছুল আলম জয়, সাইফুল ইসলাম বুলবুল, আলমগীর স্বপন, গৌতম কুমার দাস, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবু সুফিয়ান সফিক, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু ওবায়দুল হাসান ববি, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাফুজুল ইসলাম রাজ, জেলা শ্রমিকলীগ নেতা আব্দুস সালাম, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি আলমগীর বাদশা, মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবরিন পিংকি, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ডাবলু, জেলা স্বেছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার রহমান শান্ত, শ্রমিক লীগ নেতা রাকিব উদ্দিন সিজার, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সজীব সাহা, সাধারণ সম্পাদক আল মাহিদুল ইসলাম জয়, জেলা তাঁতীলীগের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাজন প্রমুখ।

সর্বশেষ: