শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১

আদমদীঘিতে বাদাম চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে

আদমদীঘিতে বাদাম চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে

সংগৃহীত

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় অন্য ফসলের পাশাপাশি বাদাম চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। অনুকূল আবহাওয়া থাকায় এ বছর বাদামের বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে এ উপজেলায়।

কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় বাদাম চাষে এত আগ্রহ দেখাচ্ছেন চাষিরা। উপজেলা কৃষি বিভাগ জানায়, অন্য ফসলের তুলনায় বাদাম চাষে শ্রম কম দিতে হয়। বাদামে রোগবালাইও কম। কীটনাশক প্রয়োগের তেমন ঝামেলা নেই। ফলন ভালো পেতে একবার কিংবা দু’বার ছত্রাকনাশক ¯েপ্র করলেই চলে।

কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি মৌসুমে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার বেশির ভাগ কৃষকই কম বেশি বাদাম চাষ করেছেন। অন্য ইউনিয়নের তুলনায় ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়নে বাদামের চাষ সবচেয়ে বেশি হয়েছে। দাম ও ফলন বেশি হওয়ায় চাষিরা ধান চাষের পাশাপাশি বাদাম চাষের দিকে ঝুঁকছেন।

বাদাম চাষি আতিয়ার জানান, প্রতি হেক্টর জমিতে বাদামের ফলন দুই টন ছাড়িয়ে যায়। রোপা-আমন ধান কাটার পরেই সুযোগ বুঝে চাষিরা অন্য ফসলের পাশাপাশি বাদামের চাষ শুরু করেন। উপজেলার কেশরতা গ্রামের আব্দুর রহিম জানান, আমি এবার ২৫ শতক জমি বর্গা নিয়ে বাদাম চাষ করেছি। এ উপজেলায় বাদামের চাষাবাদ বেড়ে গেছে। সরকারিভাবে চাষিদের উচ্চ ফলনশীল বাদামের বীজ, রাসায়নিক সার ও অন্যান্য উপকরণ সঠিক সময়ে সরবরাহ করা হলে ধানের মতো বাদাম চাষের উজ্জল সম্ভবনা রয়েছে এ অঞ্চলে।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মিঠু চন্দ্র অধিকারী বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার বাদামের ভালো ফলন হয়েছে। বাংলাদেশ ফল গবেষণা ইন্সটিটিউট রাজশাহী কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (অব:) ড. আলিম উদ্দিন মোবাইল ফোনে জানান, মাঠ পর্যায়ে প্রান্তিক চাষিদের বাদাম চাষে আরো আগ্রহী করে তুলতে আগামীতে উচ্চ ফলনশীল জাতের বাদামের বীজ সরবরাহ করা হবে।

সর্বশেষ: