সংগৃহীত
ইরানের রাজধানী তেহরানে নতুন করে ব্যাপক হামলা হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) ভোরে তেহরান ছাড়াও আহভাজ, সিরাজ, ইস্ফাহান, কারাজ এবং কেরমানশাহতে হামলা চালায় দখলদার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, ভোর বেলার হামলা এখন নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে।
এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় বেসামসরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা হয়েছে। এরমধ্যে তেহরানে একটি ওষুধ কোম্পানির উৎপাদন কারখানায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। যেখানে ক্যানসার আক্রান্ত রোগীদের ওষুধ উৎপাদন করা হয়। এর পাশাপাশি ইস্ফাহানের একটি স্টিল কারখানা, বন্দর আব্বাসে একটি সমুদ্রবন্দর, পূর্ব ইরানের বোরোজেনের একটি স্টিল কারখানা, বুশেহের-এর একটি আবহাওয়া সংক্রান্ত স্থাপনা এবং পশ্চিম ইরানের আবাসিক কমপ্লেক্সকে টার্গেট করা হয়েছে।
বেসামরিক এসব স্থাপনাকে ‘রেড লাইন’ হিসেবে নিচ্ছে ইরানিরা। যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদারদের এসব হামলাকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে অভিহিত করে কঠোর পাল্টা ব্যবস্থার হুমকি দিয়েছে তেহরান।
ইরানিরা নিরীহ নিরস্ত্র ফিলিস্তিনি নয়, আগ্রাসনকারীদের কঠোর শাস্তি দেবে : ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দখলদার ইসরায়েলে ইরানের ওষুধ কোম্পানিতে হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এ হামলার জবাব দেওয়া হবে। আরাগচি মনে করিয়ে দিয়েছেন, ইরানিরা ফিলিস্তিনিদের মতো নিরীহ নিরস্ত্র নয়। ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ইসরায়েলের এসব অপরাধের কঠোর জবাব দেবে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে আরাগচি লিখেছেন, “ইসরায়েলের যুদ্ধাপরাধীরা এখন প্রকাশ্যে এবং নির্লজ্জভাবে ওষুধ কোম্পানিতে বোমা হামলা চালাচ্ছে। তাদের মতলব এখন পরিষ্কার।”
“কিন্তু এই যুদ্ধাপরাধীরা একটি বিষয় ভুল করছে যে, তারা নিরীহ নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে হামলা চালাচ্ছে না। আমাদের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী আগ্রাসনকারীদের কঠোর শাস্তি দেবে।”
সূত্র: আলজাজিরা
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট



















