শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২

ঈদের নামাজে শুধু তাশাহুদ পেলে কী করবেন?

ঈদের নামাজে শুধু তাশাহুদ পেলে কী করবেন?

সংগৃহীত

বছরের দুই ঈদ, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার নামাজ একই ধরনের ও নিয়মের। ঈদের নামাজ দুই রাকাত এবং তা ওয়াজিব।  ঈদের নামাজে আজান-ইকামত নেই। যাদের ওপর জুমার নামাজ ওয়াজিব, তাদের ওপর ঈদের নামাজও ওয়াজিব। 

ঈদের নামাজ ময়দানে পড়া উত্তম। তবে মক্কাবাসীর জন্য মসজিদে হারামে উত্তম। শহরের মসজিদগুলোতেও ঈদের নামাজ জায়েজ আছে। 

ঈদের নামাজে অতিরিক্ত ছয়টি তাকবির ওয়াজিব। প্রথম রাকাতে তাকবিরে তাহরিমা ও ‘ছানা’র পর তিন তাকবির। দ্বিতীয় রাকাতে কেরাতের পর রুকুতে যাওয়ার আগে তিন তাকবির। এ তাকবিরগুলো বলার সময় ইমাম-মুকতাদি সবাইকে হাত উঠাতে হবে। তৃতীয় তাকবির ছাড়া প্রত্যেক তাকবিরের পর হাত ছেড়ে দিতে হবে।

জামাতের সঙ্গে ঈমামের পেছনে ঈদের নামাজ পড়তে হবে।  কোনো ব্যক্তি যদি শুরু থেকেই ঈদের নামাজে অংশ নিতে না পারেন এবং শেষ মুহূর্তে এসে শুধু তাশাহুদ পড়ার সময় ঈদের নামাজে যুক্ত হন, তাহলে তার জন্য করণীয় কী?

এ বিষয়ে আলেমদের মতামত হলো— কোনো ব্যক্তি ঈদের নামাজে ইমামের তাশাহহুদ অবস্থায় জামাতে শরিক হলে তার নামাজও সহীহ হবে। এক্ষেত্রে ইমাম  সালাম ফেরানোর পর দাঁড়িয়ে স্বাভাবিক নিয়মেই দুই রাকাত নামাজ পড়বে। 

অর্থাৎ প্রথম রাকাতের শুরুতেই অতিরিক্ত তাকবিরগুলো বলে নেবে। অতপর সূরা-কিরাত পড়বে। আর দ্বিতীয় রাকাতে কিরাতের পর রুকুর আগে অতিরিক্ত তাকবিরগুলো বলবে। এরপর সিজদা ও বৈঠকের মাধ্যমে নামাজ শেষ করবে।

এনটি

সূত্র: ঢাকা পোষ্ট