সংগৃহীত
২৭ অক্টোবর টোকিওতে প্রধানমন্ত্রী তাকাইচির সঙ্গে শীর্ষ বৈঠক হবে, বৈঠকের আগে থাকবে গার্ড অব অনার। এরপর যৌথ সংবাদ সম্মেলন ও মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবেন তিনি। একই দিন জেরার এলএনজি টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শনের কর্মসূচি রয়েছে।
২৮ অক্টোবর জেবিআইসি গভর্নর, ইউনিক্লোর কর্তৃপক্ষ ও জেট্রো প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক হবে। মিৎসুই, সুমিতোমো ও জেরার প্রতিনিধিদের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক এবং আরও ১৪টি জাপানি কোম্পানির সঙ্গে দুটি দলীয় বৈঠক রয়েছে। বিকেলে বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরামে মূল বক্তব্য দেবেন তিনি।
শেষ দিন ২৯ অক্টোবর বুলেট ট্রেনে নাগোয়া গিয়ে টয়োটার মটোমাচি কারখানা পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেদিনই টোকিও ফিরে রাতে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে পৌঁছাবেন বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে।
এই সফর থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি কী হওয়া উচিত বলে আপনি মনে করেন?
#জাপানসফর #তারেকরহমান #বাংলাদেশজাপান #মেট্রোরেল #JapanBangladesh
















