• শনিবার   ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||

  • আশ্বিন ৪ ১৪২৭

  • || ০১ সফর ১৪৪২

৫৬

বিপদ এড়াতে অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার খাওয়ার পর যা করবেন

দৈনিক বগুড়া

প্রকাশিত: ১৪ জুন ২০২০  

লকডাউনে ঘরে থেকে প্রতিদিনই নানা রকম ভাজাপোড়া খাবারের প্রতি আগ্রহী হচ্ছে সবাই। দেখা যায়, বিকেলে প্রায়ই ডুবো তেলে ভাজা ও অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার খাচ্ছেন সবাই। এসব খাবার খাওয়া পর অস্বস্তিবোধ কাজ করে।

তৈলাক্ত খাবার স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এটি একদিকে যেমন পেটের সমস্যা তৈরি করে, অন্যদিকে মেদও বৃদ্ধি করে। ফলে তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে যাওয়াই উত্তম। তারপরও যদি তেলযুক্ত খাবার খাওয়া হয়েই যায়, তবে মেনে চলুন কিছু নিয়ম। এতে আপনি তৈলাক্ত খাবার খাওয়ার পরও থাকবেন সুরক্ষিত। চলুন এবার জেনে নেয়া যাক এমন খাবার খাওয়ার পর কি করা প্রয়োজন- 

কুসুম গরম পানি পান করুন

তৈলাক্ত খাবার খাওয়ার পর কুসুম গরম পানি পান পাকস্থলীর কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এছাড়া উষ্ণ পানি পান করা হলে গ্রহণকৃত খাদ্য ভালোভাবে হজম হয় এবং তৈলাক্ত খাবার থেকে পেটের সমস্যার সম্ভাবনা কমে আসে।

খাওয়া শেষে হাঁটুন

শুধু তৈলাক্ত খাবার খাওয়ার পরেই নয়, প্রতিবার খাবার খাওয়ার পরেই অন্তত ১০০ কদম হাঁটা প্রয়োজন। এতে করে খাবার ভালোভাবে পরিপাক হতে পারে এবং খাবারের ফ্যাট শরীরে জমতে পারে না। তবে তৈলাক্ত খাবারের বাড়তি ফ্যাট যেহেতু সহজেই তলপেটে জমে যায়, তাই এমন খাবার খাওয়ার পর অন্তত ২০ মিনিট সময় নিয়ে ধীরে ধীরে হাঁটুন।

শসা খান 

বলা হয়ে থাকে শসা শরীরের বাড়তি চর্বিকে কমিয়ে আনতে সবচেয়ে উপকারী একটি সবজি। এ কারণেই ওজন কমানোর ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাসে শসার প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয় বেশি। তৈলাক্ত খাবার খাওয়ার এক ঘণ্টা পর দুটি কচি ও বড় শসা লবণ ছাড়া খেয়ে নিন।

ডিটক্স ওয়াটার পান করুন

ডিটক্স ওয়াটার পানে শরীরের ভেতরের টক্সিন ও ক্ষতিকর উপাদানদের বের হয়ে যায়। কিছু পরীক্ষার ফল থেকে দেখা যায় তৈলাক্ত খাবার খাওয়ার পরবর্তী সময়ে ডিটক্স ওয়াটার পানে খাবারের নেতিবাচক প্রভাব শরীরে পড়তে পারে না। ডিটক্স ওয়াটার তৈরির জন্য সাধারণত লম্বা সময় প্রয়োজন হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তৈরি করতে চাইলে পানি, লেবুর রস ও শসার রস একসঙ্গে মিশিয়ে পান করুন।

সাইট্রাস ঘরানার ফল খান

লেবু, কমলালেবু, জাম্বুরা কিংবা গ্রেপফ্রুটকে বলা হয় সাইট্রাস ঘরানার ফল। টক স্বাদের এই ফলগুলো থেকে পাওয়া যাবে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন সি। এছাড়া এই ফলগুলোতে থাকা অ্যাসিড তেল ও চর্বির নেতিবাচক প্রভাবকে কমিয়ে আনতেও কার্যকরী। তৈলাক্ত খাবার খাওয়া শেষে যে কোনো ফল সম্পূর্ণ অথবা অন্যান্য ফলের সঙ্গে মিশিয়ে ফ্রুট সালাদ হিসেবে খেলে উপকার পাওয়া যাবে।

দৈনিক বগুড়া
দৈনিক বগুড়া
লাইফস্টাইল বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর