• মঙ্গলবার   ৩১ জানুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ১৭ ১৪২৯

  • || ০৯ রজব ১৪৪৪

পুকুর থেকে ধরা পড়লো বিশাল বড় বিরল মাছ

দৈনিক বগুড়া

প্রকাশিত: ১ ডিসেম্বর ২০২২  

মাছ ধরতে আমারা অনেকেই পছন্দ করি। মাছ ধরার জন্য আমরা অনেক টাকা খরচও করে তাকি কেননা মাছ ধরার মধ্যে বিশাল আনন্দ রয়েছে। আমাদের দেশে গ্রামে অনেক বড় বড় পুকুর খাল বিল থাকে সেখানে সময় হলে মাছ ধরতে দেখা যায়। সাধারণত বর্ষার সময় মাছ ধরতে খুব বেশি দেখা যায় তখন খাল বিল সব জায়গায় পানি থাকে এবং সাথে মাছও থাকে তাই গ্রামের মানুষরা আনন্দের সাথে মাছ ধরে এবং তাদের চাহিদা মিটায়।

মাছ ধরার মতো মজার বিষয় আর নাই।মাছ ধরা আর মাছ ধরতে দেখা উভয়ই আনন্দের বিষয়। অনেক জায়গায় মাছ ধরা দেখতে ভিড় জমে যায়। আমাদের দেশে সমুদ্রে যেমন মাছ আছে তেমনি পুকুর, খাল,বিল সব জাগায় মাছ পাওয়া যায়।

যখন গ্রামের পুকুরে মাছ ধরা হয় তখন সেখানে অনেক মানুষ তা দেখার জন্য আসে। পুকুরের পাশে মাছ ধরা দেখার জন্য লোকের ভির জমে যায়।অনেক দূর থেকে দেখার জন্য লোক আসে।পুকুরে অনেক বড় বড় মাছ পাওয়া যায়।সেই মাছ মানুষ উৎসব মুখুর ভাবে সবাই এক সাথে ধরে থাকে।এবং আনন্দে চিৎকার করে।

কিছুদিন আগে ইন্টারনেট এক ভিডিও ভাইরাল হয়। সেখানে এক যুবককে দেখা যায় যে এক বড় আকারের রুই মাছ ধরতে।যুবক নৌকা নিয়ে পুকুরে মাছ ধরতে নামে। সাথে নেয় খুব ছোট আকারের একটি জাল। এই ছোট জাল দিয়ে এতো বড় মাছ ধরতে পারা যাবে তা বিশ্বাস করাই যায়নি। কিন্তু যুবকটি ঠিকই ধরতে পেড়েছে। জাল দিয়ে প্রথমে ছোট ছোট অনেক রুই মাছ ধরে। তারপর হঠাৎকরে বড় রুই মাছটি জালে উঠে।

যুবকটি ছোট ছোট রুই মাছ ধরতে ধরতে হঠাৎ এক বিশাল বড় রুই মাছ ধরে। পাশে অনেক যুবক ছিলো মাছ ধরার জন্য কিন্তু তারা কেউ বড় রুই ধরতে পারে নাই এই একমাত্র যুবক ছাড়া। যুবকটি এতো বড় রুই মাছ ধরতে পেড়ে আনন্দে আনর্থ। যুবকের এই মাছ ধরা দেখার জন্য পুকুরে পাশে লোকের ভিড় জমে যায়।

যুবকটি শুধু রুই মাছ ধরেনি সাথে আরো বিভিন্ন ধরনের মাছ ধরেছে।কিন্তু সবার আকর্ষন ছিলো এই বড় রুই মাছটির দিকে।সে আমাদেরকে বড় বড় মাছ ধরে দেখানোর জন্য আমরা থাকে ধন্যবাদ দিয়েছি আপনিও তাকে ধন্যবাদ দিতে পারেন কমেন্ট করে। যুবুকের মাছ ধরার ভিডিও ইতিমধ্যে অনেক ভাইরাল হয়েছে ইন্টারনেটে।

 

আর সেই পোশাক উদ্ধার করে আনতে ১০তলার ফ্ল্যাটের বাসিন্দা এক নারী তার ছোট্ট ছেলেকে নিচে পাঠালেন সিঁড়ি বা লিফট দিয়ে নয়। বরং বাচ্চাটির কোমরে হলুদ রঙের একটি বিছানার চাদর বেঁধে চাদরটিকে দড়ির মতো ব্যবহার করে, শিশুটিকে ঝুলিয়ে বারান্দা দিয়ে নামালেন নিচে! ঝুলে ঝুলেই ১০তলার বারান্দা থেকে ৯তলার বারান্দায় পৌঁছে যায় শিশুটি! তারপর সেই পোশাক উদ্ধার করে আবার দড়ির সাহায্যেই উঠে আসে ১০তলায়। দড়ি ধরে ঝোলানো, নামানো এবং টেনে তোলা–সব কিছুই করলেন তার মা!

গত সপ্তাহে ঘটনাটি ঘটেছে হরিয়ানা রাজ্যের ফরিদাবাদে। যার ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সেই ভিডিও প্রকাশ্যে আসায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ফরিদাবাদের ওই নারী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সত্যিই তার ভুল হয়েছে, এরকম ঝুঁকি নেওয়া উচিত হয়নি। জানা গেছে, নিচের ফ্ল্যাটের দরজা বন্ধ থাকায় এই উপায় নিতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি।

দৈনিক বগুড়া
দৈনিক বগুড়া