সংগৃহীত
একদিনের তীব্র যানজটের পর অবশেষে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ অংশে অবস্থিত লাঙ্গলবন্দ সেতুর ঢাকামুখী লেনে ঢালাই কাজ সম্পন্ন হওয়ায় ভোর থেকেই ধীরে ধীরে কেটে যায় দীর্ঘ যানজট।
সোমবার (২ মার্চ) মধ্যরাত থেকে সেতুর ক্ষতিগ্রস্ত অংশে জরুরি ভিত্তিতে সংস্কারকাজ শুরু হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে ঢাকামুখী লেনের একটি অংশ বন্ধ রেখে এক লেন দিয়ে যান চলাচল করানো হলে সকাল থেকেই ধীরগতির সৃষ্টি হয়। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানজট সোনারগাঁ অংশ ছাড়িয়ে মেঘনা ব্রিজ এলাকা হয়ে গজারিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কয়েক কিলোমিটার এলাকায় যানবাহন কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে।
দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানগুলো ঘণ্টার পর ঘণ্টা একই স্থানে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এতে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও পণ্য পরিবহনকারীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। অনেকেই নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেননি।
তবে রাতেই ঢালাই কাজ শেষ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উভয় লেন যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়। মঙ্গলবার ভোর থেকে যানবাহন স্বাভাবিক গতিতে চলাচল শুরু করে। সকাল ৮টার পর মহাসড়কের সোনারগাঁ অংশে আর দীর্ঘ যানজট দেখা যায়নি।
তবে সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুর গোড়ার অংশে কিছু সময়ের জন্য যানবাহনের চাপ থাকায় সামান্য ধীরগতি তৈরি হয়। বিশেষ করে ঢাকামুখী ভারী যানবাহনগুলো ব্রিজে ওঠার আগে গতি কমিয়ে চলায় স্বল্প সময়ের জট তৈরি হলেও তা দ্রুত কেটে যায়।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক শ্রী কৃষ্ণপদ বলেন, লাঙ্গলবন্দ সেতুর ঢাকামুখী লেনের ঢালাই কাজ নির্ধারিত সময়েই সম্পন্ন হয়েছে। রাতেই কাজ শেষ করে উভয় লেন খুলে দেওয়া হয়। ফলে মঙ্গলবার ভোর থেকে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। তবে সকালে কিছু সময় সেতুর গোড়ায় গাড়ির চাপ থাকায় সামান্য ধীরগতি দেখা যায়।
তিনি আরও বলেন,পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে হাইওয়ে পুলিশের একাধিক টিম মহাসড়কে দায়িত্ব পালন করছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের সংস্কারকাজের সময় যাতে যানজট কম হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দীর্ঘ সময়ের দুর্ভোগের পর মঙ্গলবার সকাল থেকে স্বস্তি ফিরেছে মহাসড়ক ব্যবহারকারী যাত্রী ও পরিবহন চালকদের মাঝে। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের অন্যতম ব্যস্ত এই মহাসড়কে সংস্কারকাজের সময় আগাম পরিকল্পনা ও বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট
.jpg)



.jpg)












