সংগৃহীত
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ঠাকুরগাঁও জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে আসামিরা জামিনের আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। জামিন বাতিলের খবর ছড়িয়ে পড়লে আদালত প্রাঙ্গণে নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ শুরু করেন এবং দলীয় নানা স্লোগান দিতে থাকেন। এতে মুহূর্তের মধ্যেই আদালতপাড়ায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
কারাগারে যাওয়া ১৭ জন নেতাকর্মী হলেন- সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আখতারুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সুমন মণ্ডল, সেনগাঁও ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ পারুল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মুজাহারুল ইসলাম, উপজেলা কৃষকলীগের সাবেক সহসভাপতি ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আশরাফ আলী বাদশা, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি আব্দুল জলিল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি রাজিউর রহমান রাজু, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ডাবলু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আনোয়ার হোসেন, আওয়ামী লীগ কর্মী জনি, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের উপজেলা সদস্য পারভেজ হাসান, মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগের সভাপতি জিল্লুর রহমান জুয়েল, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সাগর খন্দকার, পীরগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি রাজিউর রহমান রাজু, সদস্য রায়হান মিসবাহ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আবুল হোসেন এবং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ১৫ আগস্ট পীরগঞ্জে আওয়ামী পরিবারের ব্যানারে আওয়ামী লীগ নেতা আখতারুল ইসলামের বাড়িতে শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে একটি মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ওই মিলাদ মাহফিলের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনার জেরে পীরগঞ্জ থানায় পুলিশ বাদী হয়ে ২০ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০-২৫ জনকে আসামি করে নাশকতার চেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রথমে ফজলুল হক ও কার্তিক রায় নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে। আদালত তাদের জেলহাজতে পাঠায়।
পরে মামলার বাকি আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নেন। মঙ্গলবার সেই মামলায় নির্ধারিত তারিখে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।















