সংগৃহীত
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সক্ষমতা কীভাবে প্রথাগত রাসায়নিক নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে দুর্ঘটনা বা ঝুঁকির কারণ হতে পারে, সে বিষয়ে সম্যক ধারণা দেওয়া এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশিক্ষণার্থীদের সচেতন করাই ছিল এই কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য। তফসিলভুক্ত রাসায়নিক দ্রব্যের আমদানি, ব্যবহার ও ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও অ্যাসোসিয়েশনের মোট ৩৩ জন প্রতিনিধি এতে অংশ নেন।
কর্মশালায় বক্তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে রাসায়নিক দ্রব্যের নিরাপদ ও সঠিক ব্যবহারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনের (বিএনএসিডব্লিউসি) সদস্য সচিব কমডোর এম কিবরিয়া হক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্বৈত-ব্যবহারজনিত (ডুয়েল-ইউজ) চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিএনএসিডব্লিউসি-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। কর্মশালা শেষে প্রধান অতিথি প্রশিক্ষণে সফলভাবে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করেন।













