• রোববার   ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ১০ ১৪২৯

  • || ২৮ সফর ১৪৪৪

পেঁপে চাষে আব্দুস ছামাদের বাজিমাত!

দৈনিক বগুড়া

প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২  

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর আব্দুস ছামাদ পেঁপে চাষ করে নিজের ভাগ্য বদলে দিয়েছেন। পেঁপে চাষ করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলে দিয়েছেন। তার পেঁপে বাগান দেখতে প্রতিদিন অনেকেই ভীড় করছেন। তাকে দেখে অনেকেই পেঁপে চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

জানা যায়, পেঁপে চাষী আব্দুস ছামাদ উপজেলার পলাশবাড়ী পৌরসভার কালুগাড়ী গ্রামের বাসিন্দা। প্রথমে বাছাই করা সোনালী জাতের বীজ সংগ্রহ করে তার এক বিঘা জমিতে পেঁপে চাষ করা শুরু করেন। এরপর আস্তে আস্তে চাষ বৃদ্ধি পায়। এখন ৪ বিঘা জমিতে পেঁপে চাষ করছেন।

চাষি আব্দুস ছামাদ বলেন, বর্তমানে ৪ বিঘা জমিতে পেঁপে চাষ করছি। এই ৪ বিঘা জমিতে পেঁপে চাষ করতে প্রায় ১ লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছে। গত দু’মাস ধরে গাছ থেকে পেঁপে তুলে বিক্রি করছি। একটি পেঁপে গাছ থেকে দুই থেকে আড়াই মণ পেঁপে পাওয়া যায়। এবং একটি পেঁপে গাছ থেকে কমপক্ষে দুই বছর যাবত ফল পাওয়া যায়।

তিনি আরো বলেন, অন্যান্য ফসলের তুলনায় পেঁপে অনেক লাভজনক। বাগানে একটি পেঁপে প্রায় সাড়ে ৫ কেজি ওজনের হয়ে থাকে। বর্তমানে বাগান থেকে কাঁচা পেঁপে ৪০০ টাকা আর পাকা পেঁপে ১ হাজার টাকা মণ বিক্রি করছি। এছাড়াও আমার বাগানের পেঁপে গাইবান্ধা শহর, গোবিন্দগঞ্জ ও পলাশবাড়ীর বিভিন্ন বাজারেও বিক্রি করছি।

বাগানে পেঁপে কিনতে আসা ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম বলেন, প্রতিদিন ছামাদ মিয়ার বাগান থেকে প্রায় ১৫-২০ মণ কাঁচা-পাকা পেঁপে কিনে নিয়ে যাই। অন্য সকল জায়গা থেকে এখানকার পেঁপের গুণগত মান অনেক ভালো। এই পেঁপে ঢাকাসহ অন্যান্য জেলাতেও যায় বলে জানান তিনি।

পলাশবাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফাতেমা কাওসার মিশু বলেন, আমরা পেঁপে চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করতে সার, বীজ দিয়ে সহযোগীতা করার চেষ্টা করছি। পাশাপাশি কৃষকদের পেঁপে চাষের পদ্ধতি ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে প্রদান করছি।

দৈনিক বগুড়া
দৈনিক বগুড়া