শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

পরীক্ষায় ভালো করেননি পাত্রী, রাগে বিয়ে ভাঙলেন যুবক!

পরীক্ষায় ভালো করেননি পাত্রী, রাগে বিয়ে ভাঙলেন যুবক!

শেষ মুহূর্তে বিয়ে ভাঙার ঘটনা নতুন কিছু নয়। পণের দাবি কিংবা ছেলে-মেয়ের সমস্যাসহ নানা কারণে মূল আসরেই ভেঙে যায় অনেক বিয়ে। কিন্তু ভারতের উত্তরপ্রদেশে যে ঘটনা ঘটেছে, তা ব্যতিক্রমধর্মীই বটে। জানা যায়, দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় কনে ভালো নম্বর না পাওয়ায় বিয়ে ভেঙে দিয়েছেন বর।

ব্যাপারটা আসলে কী? জানা যায়, উত্তরপ্রদেশের কনৌজ জেলায় সোনি নামে একজনের সঙ্গে বিয়ের ঠিক হয় বাগানওয়া গ্রামের রামশঙ্কর বাবুর ছেলে সোনুর সঙ্গে। বিয়ের আগে প্রথা অনুযায়ী ‘গোদ ভরাই’ অনুষ্ঠানও হয় তাদের। কিন্তু বিয়ের মূল অনুষ্ঠানের মাত্র কয়েকদিন আগে সোনু জানিয়ে দেন, তিনি বিয়ে করতে পারবেন না। কারণ, দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় সোনি খুব কম নম্বর পেয়েছেন।

পাত্রের কাছ থেকে এ কথা শুনে ক্ষুব্ধ হন সোনি ও তার পরিবার। তাদের দাবি, ধুমধাম করে গোদ ভরাই অনুষ্ঠান হয়েছে। অনুষ্ঠান বাবদ এরই মধ্যে খরচ হয়েছে অন্তত ৬০ হাজার রূপি। এমনকি, পাত্রকে ১৫ হাজার রূপির একটি আংটিও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তার দু’দিন পরেই যৌতুক চেয়ে বসে পাত্রপক্ষ। সোনির বাবা বলেন, এর আগেও পাত্রপক্ষ আমাদের কাছে একাধিক জিনিস যৌতুক হিসেবে দাবি করে। সেগুলো মিটিয়ে আবার নতুন করে আলাদা পণ দেওয়া সম্ভব নয়।

এদিকে, বিয়ের সম্বন্ধ ভাঙার পরেই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন সোনির বাবা। তার দাবি, দশম শ্রেণিতে মেয়ের নম্বর কিছুটা কম ছিল। তবে দ্বাদশ শ্রেণিতে যথেষ্ট ভালো নম্বর পেয়ে পাশ করেছে তার মেয়ে। কিন্তু পাত্রপক্ষ দশম শ্রেণির নম্বর নিয়েই অযথা অভিযোগ তুলছে। আসলে যৌতুক দিতে না পারার জন্যই পাত্রপক্ষ বিয়েটা ভেঙে দিয়েছে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কনের পরিবার তাদের আত্মীয়ের মাধ্যমে বরের পরিবারকে বোঝানোর চেষ্টা করে। কিন্তু বরের পরিবার তাদের দাবিতে অনড় থাকায় পুলিশের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হয় কনের পরিবার। স্থানীয় পুলিশ জানায়, দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মেটানোর চেষ্টা হচ্ছে।

দৈনিক বগুড়া

সর্বশেষ: