• শনিবার   ২১ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৭ ১৪২৯

  • || ১৯ শাওয়াল ১৪৪৩

আম খাওয়ার অপকারিতা

দৈনিক বগুড়া

প্রকাশিত: ১৩ মে ২০২২  

অস্বীকার করার উপায় নেই যে আম সুস্বাদু, মিষ্টি এবং লোভনীয় একটি ফল। তবে আপনি কি জানেন যে আপনার প্রিয় ফলের কিছু নীরব পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে যা আপনার স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে! আম খেতে ভালোবাসেন এমন বেশিরভাগ মানুষের কাছে এটি উদ্ভট এবং হতাশাজনক শোনাতে পারে, তবে মিষ্টি ও পুষ্টিকর এই ফল সঠিকভাবে খাওয়া না হলে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

আম কি স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ?

পুষ্টিকর ফলটি ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। অন্যান্য ফলের তুলনায়আমে উদ্ভিদ যৌগ এবং ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট রয়েছে যা সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কাজ করে। এই ফল সোডিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে এবং উচ্চ রক্তচাপকে দূরে রাখে, কমায় কার্ডিয়াকের ঝুঁকি। কিন্তু এটি কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নিয়ে আসে। জেনে নিন আমের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে-

অ্যালার্জি বাড়াতে পারে

আম খেলে বাড়তে পারে অ্যালার্জি। কারণ আম অ্যালার্জিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য ক্ষতিকারক হয়ে উঠতে পারে, বিশেষ করে যদি কেউ সিন্থেটিক উপাদানের প্রতি সংবেদনশীল হয়। কারণ আমে প্রোটিন ল্যাটেক্সের মতো উপাদান রয়েছে যা অ্যালার্জি আছে এমন কারও জন্য অস্বস্তির কারণ হতে পারে।

রক্তে শর্করার বৃদ্ধি

মিষ্টি এবং সুস্বাদু এই ফলে উচ্চ প্রাকৃতিক চিনি থাকার কারণে এটি দ্রুত চিনির মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাকৃতিক চিনিও ডায়াবেটিস এবং অন্যান্য জীবনযাত্রার ব্যাধির ক্ষেত্রে সাধারণ চিনির মতোই কাজ করতে পারে। সুতরাং, আম খাওয়ার সময় এর পরিমাণের দিকে অবশ্যই নজর রাখতে হবে।

লো-ফাইবার

বিভিন্ন জাতের আমে ফাইবার কম থাকে কারণ বীজ এবং খোসায় সর্বাধিক পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা সাধারণত খাওয়া হয় না। যে কারণে আম হজম প্রক্রিয়ায় সাহায্য নাও করতে পারে। তাই হজম প্রক্রিয়াকে মসৃণ করতে আমের সাথে ফাইবার সমৃদ্ধ উপাদান যুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

ওজন বৃদ্ধি

একসঙ্গে অনেকগুলো আম খেলে ওজন বাড়তে পারে। এর কারণ হলো অন্যান্য খাবারের তুলনায় আমে ফাইবার কম, প্রাকৃতিক শর্করার পরিমাণ বেশি এবং ক্যালোরি বেশি, যা ওজন বাড়াতে পারে। তাই আপনি যদি ওজন কমানোর প্রচেষ্টা করে থাকেন তবে আম খাওয়ার বিষয়ে সতর্ক হোন।

পেটের সমস্যা হতে পারে

বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত আম খেলে তা পেটের সমস্যার কারণ হতে পারে। কারণ এতে গাঁজনযোগ্য কার্বোহাইড্রেট রয়েছে, যা ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম (আইবিএস) বাড়াতে পারে এবং পাচনতন্ত্রকে বিপর্যস্ত করতে পারে।

টাইমস অব ইন্ডিয়া অবলম্বনে

দৈনিক বগুড়া
দৈনিক বগুড়া