সংগৃহীত
আবিরের রঙে রাঙিয়ে দোল পূর্ণিমা উদযাপনে মেতে উঠেছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব দোল পূর্ণিমা, যা হোলি উৎসব নামেও পরিচিত। বাংলাদেশে এই উৎসব ‘দোলযাত্রা’ নামেও উদযাপিত হয়।
বগুড়া শহরের উত্তর চেলোপাড়ার নববৃন্দাবন হরিবাসর মন্দিরে দিনব্যাপী দোল উৎসবের আয়োজন করা হয়। পূজা, হোমযজ্ঞ ও প্রসাদ বিতরণের মধ্যেই অনুষ্ঠান সীমাবদ্ধ থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
উৎসবে অংশ নেয়া ভক্তরা জানান, প্রাচীনকাল থেকে পুষ্পরেণু ছিটিয়ে রাধা-কৃষ্ণের দোল উৎসব পালনের প্রচলন ছিল। সময়ের সঙ্গে সেই পুষ্পরেণুর জায়গা দখল করেছে আবির। বিশ্বাস করা হয়, শ্রীকৃষ্ণ বৃন্দাবনে রাধিকা ও সখীদের সঙ্গে আবির খেলেছিলেন। সেখান থেকেই দোল খেলার সূচনা।
ভক্তদের ভাষ্য, বিশ্বের অনেক স্থানে উৎসবটি শ্রীকৃষ্ণের দোলযাত্রা নামে পরিচিত। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মাদ্রাজসহ বিভিন্ন অঞ্চলে এটি দোল উৎসব নামে পরিচিত হলেও উত্তর, পশ্চিম ও মধ্য ভারত এবং নেপালে ‘হোলি’ নামেই বেশি প্রচলিত। কোথাও কোথাও একে বসন্ত উৎসবও বলা হয়।
বগুড়া পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি পরিমল প্রসাদ রাজ বাসস’কে জানান, শহরের অধিকাংশ মন্দিরেই সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত আবির খেলা চলছে। বিশেষ করে নববৃন্দাবন হরিবাসর মন্দির প্রাঙ্গণে সবচেয়ে বেশি ভক্ত সমাগম হয়েছে। একে অপরকে আবির মাখিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করছেন সবাই।



















