সংগৃহীত
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার মাধ্যমে আমরা একটি স্পোর্টসবান্ধব জাতি গঠনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারবর্গ অত্যন্ত ক্রীড়ামোদী পরিবার হিসেবে ইতোমধ্যে সুখ্যাতি পেয়েছে।
সোমবার (৪ মে) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কেন্দ্রীয় ক্রিকেট মাঠে অনুষ্ঠিত আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অ্যাথলেটিক্স ও বাস্কেটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আমিনুল হক বলেন, রাজনৈতিক যে বিশৃঙ্খল পরিবেশ আমরা গত ১৭ বছরে দেখেছি, সেই দুঃশাসন থেকে ফিরে আসার অন্যতম মাধ্যম হলো খেলাধুলা। তাই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকে হাইস্কুল পর্যন্ত খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আমরা আগামীতে উপজেলা পর্যায়েও ক্রীড়া অফিসার নিয়োগ দেব। এক্ষেত্রে আমরা স্পোর্টস ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দিতে চাই।
তিনি আরও বলেন, খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ৩০০ জন জাতীয় খেলোয়াড়কে পেশাগত স্বীকৃতি ‘ক্রীড়া কার্ড’ দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আমরা ৫০০ জন জাতীয় খেলোয়াড়কে এই ক্রীড়া ভাতা ও কার্ডের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করব। এছাড়াও আমরা মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ডিভাইস থেকে দূরে রাখতে চাই। এবং সেই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে খেলাধুলার বিকল্প নেই।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। এছাড়াও বিশেষ অতিথি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম, কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সোহরাব হোসেন এবং ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ প্রমুখ।
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট



















