সংগৃহীত
বগুড়া শহরের দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা নিরসন এবং আধুনিক নগর পরিকল্পনার লক্ষ্যে প্রস্তাবিত সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলপথের রুট পুনর্বিন্যাসের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এজন্য রাণীরহাট জংশন থেকে বগুড়া শহর পর্যন্ত রেল সংযোগ বাতিল করে গাবতলী পর্যন্ত নতুন রেল সংযোগ স্থাপনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

যানজট নিরসনে বগুড়া শহরের ভেতরের রেলক্রসিংগুলো এড়িয়ে নতুন রেল সংযোগ স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম রেল মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে এ বিষয়ে একটি আধা-সরকারি পত্র (ডিও) দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে কাহালু থেকে বগুড়া শহর হয়ে গাবতলী পর্যন্ত বিদ্যমান রেলপথটি শহরের অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ ও ব্যস্ত এলাকার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে। এ পথে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ রেলক্রসিং থাকায় প্রতিদিন ট্রেন চলাচলের সময় দীর্ঘক্ষণ যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। এতে শহরের বিভিন্ন সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয় এবং গড়ে প্রায় চার ঘণ্টা পর্যন্ত যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।
ফলে শিক্ষার্থী, রোগী, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন। একই সঙ্গে জরুরি সেবা কার্যক্রম ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে রাণীরহাট জংশনকে কেন্দ্র করে রাণীরহাট থেকে গাবতলী পর্যন্ত নতুন রেল সংযোগ স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি কাহালু থেকে বগুড়া শহর হয়ে গাবতলী পর্যন্ত বিদ্যমান রেলপথ অপসারণ করে কাহালু-রাণীরহাট-গাবতলী রুটে নতুন সংযোগ গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী তার চিঠিতে উল্লেখ করেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বগুড়া শহরের অভ্যন্তরের রেলক্রসিংজনিত যানজট সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব হবে। একই সঙ্গে রেল যোগাযোগ আরও নিরাপদ, দ্রুত এবং জনবান্ধব হবে।
এছাড়া সিরাজগঞ্জ-বগুড়া-কাহালু রেলপথ প্রকল্পের চলমান কাজ অব্যাহত রেখে রাণীরহাট থেকে গাবতলী পর্যন্ত নতুন সংযোগ দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
এদিকে, প্রতিমন্ত্রীর ডিও লেটারের প্রেক্ষিতে এরই মধ্যে রেলপথ মন্ত্রণালয় উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরি করেছে।



.avif)











