Warning: file_get_contents(http://ipwho.is/198.37.106.67): Failed to open stream: HTTP request failed! HTTP/1.1 429 Too Many Requests in /home/u483705982/domains/dainikbogura.com/public_html/details.php on line 126

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩

বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারে অটল থাকবে চীন: শি জিনপিং

বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারে অটল থাকবে চীন: শি জিনপিং

সংগৃহীত

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে ‘নতুন যুগের চীন-বাংলাদেশ অভিন্ন সম্প্রদায়’ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন।

শুক্রবার (২৬ জুন) বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ ঘোষণা দেন দুই নেতা।

বৈঠকে শি জিনপিং বলেন, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের উন্নয়নকে বেইজিং সবসময়ই অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। বিশ্ব পরিস্থিতি যেভাবেই বদলাক না কেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারে চীন অটল থাকবে এবং বাংলাদেশকে বিশ্বস্ত বন্ধু, প্রতিবেশী ও অংশীদার হিসেবে পাশে রাখবে।

তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে সমর্থন করে এবং বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে। একই সঙ্গে দুই দেশের মূল স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পারস্পরিক সমর্থন অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

শি জিনপিং জানান, চীন উচ্চমানের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) সহযোগিতা এগিয়ে নিতে এবং সবুজ ও স্বল্প-কার্বন উন্নয়ন, ডিজিটাল অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। এছাড়া চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোরের উন্নয়নেও একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠার ১০৫তম বার্ষিকীতে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে চীন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বিশ্বস্ত অংশীদার।

তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বে চীনের আধুনিকায়ন বাংলাদেশের জন্য অনুকরণীয় উদাহরণ। বাংলাদেশ রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, বিআরআই সহযোগিতা এবং বাণিজ্য, যোগাযোগ, কৃষি, প্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে চায়। 

Politics

প্রধানমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন যে বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে ‘এক চীন নীতি’ অনুসরণ করে এবং তাইওয়ানকে চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। তিনি তাইওয়ানের স্বাধীনতার যেকোনো উদ্যোগের বিরোধিতা এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৭৫৮ নম্বর প্রস্তাবের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থনের কথাও উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, মানবজাতির অভিন্ন ভবিষ্যতের সম্প্রদায় গঠন এবং প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের প্রস্তাবিত চারটি বৈশ্বিক উদ্যোগ বিশ্ব শান্তি, উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ বিষয়ে চীনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যায়ে সমন্বয় জোরদারে বাংলাদেশ প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।

সূত্র: কালবেলা

জনপ্রিয়

সর্বশেষ:

শিরোনাম: