সংগৃহীত
বগুড়ার জয়পুরপাড়ায় প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে অত্যাধুনিক কসাইখানা। রোববার বিকেলে মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রধান অতিথি হিসেবে এর উদ্বোধন করেন। বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘লাইভস্টোক অ্যান্ড ডেইরি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট’ এর আওতায় এটি নির্মাণ করা হয়।
এর আগে বিকালে বগুড়া শহরের মম ইন কনভেনশন সেন্টারে ‘টেকসই প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন: আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনা, বাজার সংযোগ ও ভ্যালু চেইন’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেন প্রতিমন্ত্রী। সেখানে তিনি বলেন, ‘আসন্ন কোরবানির ঈদে দেশের চাহিদা মেটাতে পর্যাপ্ত গরু মজুত রয়েছে, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে গরু আনার কোনো প্রয়োজন নেই। বাংলাদেশ এখন কোরবানির পশু উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। ভবিষ্যতে দেশ পশু রপ্তানির দিকেও এগিয়ে যাবে।
অত্যাধুনিক কসাইখানা সম্পর্কে বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ওয়াহিদুর রহমান বলেন, ‘কসাইখানাটি সিটি কর্পোরেশনের কাছে হস্তান্তরের পর শহরে যত্রতত্র পশু জবাই বন্ধ করা হবে। এখান থেকে জবাইকৃত মাংসে সিটি কর্পোরেশনের সিল দেওয়া হবে এবং সিলবিহীন মাংস না কেনার জন্য জনগণকে সচেতন করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কসাইখানাটি পরিচালনায় প্রতিদিন প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা ব্যয় হবে। মাসিক খরচ দাঁড়াতে পারে সাড়ে ৭ থেকে ৯ লাখ টাকা পর্যন্ত। এর জন্য প্রতিটি গরু প্রসেসিংয়ে প্রায় এক হাজার টাকা ও ছাগলের ক্ষেত্রে ৩০০ টাকা চার্জ নির্ধারণ করা হতে পারে।’
জানা যায়, ৫০ শতক জমির ওপর নির্মিত এই আধুনিক কসাইখানায় প্রতি ঘণ্টায় ১৫টি গরু এবং ৩০টি ছাগল বা ভেড়া জবাই ও প্রসেস করা যাবে। এতে থাকছে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ফলে পরিবেশ দূষণের আশঙ্কা থাকবে না।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৬ সদর আসনের সংদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা, মৎস্য ও প্রানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য ও প্রানি সম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহজাহান আলী, জেলা প্রশাসক মো.তৌফিকুর রহমান, জেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. কাজী আশরাফুল ইসলাম, সদর উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. রায়হান আলী প্রমূখ।




.jpg)











