সংগৃহীত
ভারতের বিপক্ষে ইডেন গার্ডেন্সে অঘোষিত কোয়ার্টার ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৯৫ রান করেছিল। কিন্তু শাই হোপের মন্থর ইনিংসের কারণে পুঁজিটা আরও বড় হওয়ার কথা থাকলেও হয়নি। ভারত চার বল হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায়।
হোপ ও রোস্টন চেজ ওপেনিংয়ে নামেন। এই জুটি ভেঙেছে নবম ওভার শেষ হওয়ার এক বল আগে। দলীয় ৬৮ রানে হোপ ফিরে যান। কিন্তু তার আগে মন্থর ব্যাটিংয়ের কারণে প্রশ্নবিদ্ধ ছিলেন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক ৩৩ বল খেলে করেছেন মাত্র ৩২ রান। চার মাত্র তিনটি, ছয় একটি। আক্রমণাত্মক ব্যাটার এদিন যেন গুটিয়ে গিয়েছিলেন। ইএসপিএন ক্রিকইনফোর তথ্য অনুযায়ী ডট বল ছিল ১৭টি, আক্রমণাত্মক শট ১০টি এবং ৯টি ভুল শট।
নিজের ছায়া হয়ে থাকায় স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠল হোপের ব্যাটিং নিয়ে। শেষ সুপার এইট ম্যাচ হেরে বিদায় নেওয়ার পেছনে তার এই ইনিংসের ভূমিকা কতটা, সেই প্রশ্ন এড়িয়ে যাননি অধিনায়ক। সংবাদ সম্মেলনে বললেন, ‘হ্যাঁ, আমি দোষ নিজের কাঁধেই নেব।’ তিনি স্বীকার করেছেন যে, তিনি সাধারণত যে গতিতে খেলেন, সেই ছন্দে এগোতে পারেননি।
তিনি বলেন, ‘আমার আরও দ্রুত ব্যাট করা উচিত ছিল। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে, যখন আপনি সংগ্রাম করছেন... আমার মনে হয় না যে আমি খারাপ ব্যাটিং করছিলাম। আসলে আমি ফিল্ডারদের হাতে বল মারছিলাম, এবং পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা একটু বেশিই করছিলাম।’
এই টুর্নামেন্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় সেরা ব্যাটার হোপ। তার পারফরম্যান্সে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারত ম্যাচের আগে ক্যারিবিয়ানরা অপরাজেয় ছিল। কিন্তু একটা সময় ছন্দ ধরা দিতে চায় না, বললেন হোপ।
তার কথা, ‘এটি এমন এক ধরনের ব্যাপার, মাঝে মাঝে আপনি বলটি ব্যাটে লাগাতে পারলেও তা (সীমানার বাইরে) পাঠাতে পারেন না।’ তিনি বললেন, ‘আমরা যতই প্রতিটি বলে মারতে চাই না কেন তা আসলে সবসময় ঘটে না। আমি আজ বেশ কিছু শট সরাসরি ফিল্ডারদের হাতেও মেরেছি, তাই সেটিও কোনো কাজে আসেনি। এরপর আমার মনে হয় ভারত বেশ ভালো বোলিং করেছে, সত্যি বলতে।’
হোপ মন্থর ইনিংস খেললেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ বাকি ১৪.৩ ওভারে ১৬৩ রান তোলে। তবে তার বিশ্বাস, প্রথম উইকেটে চেজের সঙ্গে তার ৬৮ রানের জুটিই এই ভিত গড়ে দিয়েছিল। কিন্তু ইনিংসটা জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়নি। সাঞ্জু স্যামসন মারকুটে ব্যাটিংয়ে চার বল খেলে ম্যাচ জেতান। ৫০ বলে ১২ চার ও ৪ ছয়ে ৯৭ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি।
এফএইচএম/




















