সংগৃহীত
পেপ গার্দিওলার বিশ্বাস, প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার সিটি এখনো আর্সেনালকে ধরতে পারবে। শিরোপার লড়াইয়ে এগিয়ে থাকা প্রতিপক্ষকে সতর্ক করে সিটি কোচ বললেন, ‘১৩ ম্যাচে অনেক কিছু হতে পারে।’
লিভারপুলকে ২-১ গোলে হারিয়ে ম্যানসিটি টেবিলের শীর্ষস্থানের সঙ্গে পয়েন্ট ব্যবধান ৬-এ নামিয়েছে। ৭৪তম মিনিটে ডমিনিক সোবোসলাই ফ্রি কিক থেকে গোল করে লিভারপুলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু ছয় মিনিটের মধ্যে বের্নার্দো সিলভা ও আর্লিং হালান্ডের গোলে তিন পয়েন্ট আদায় করে সিটি। ৮৯ বছরের মধ্যে প্রথমবার এক লিগ মৌসুমে দুইবারই লিভারপুলকে হারাল তারা।
এই জয়ে আর্সেনালের সঙ্গে ব্যবধান তিনে রাখার সুযোগ পাচ্ছে সিটি, যদি তারা বুধবার ইতিহাদে ফুলহ্যামকে হারাতে পারে। পরের দিন বৃহস্পতিবার গানাররা নামবে ব্রেন্টফোর্ডের মাঠে।
গার্দিওলা বিশ্বাস করেন, শিরোপার দৌড়ে মিকেল আর্তেতার দলকে পেছনে ফেলার সুযোগ আছে তার দলের সামনে। তিনি বললেন, ‘আমরা ছয় পয়েন্ট পেছনে আছি। হ্যাঁ, এটা বড় পার্থক্য, কিন্তু অনেক কিছু হতে পারে। সুতরাং এই তিন পয়েন্ট পাওয়া ভালো।’
আর্সেনালকে সতর্ক করে সিটি কোচ বললেন, ‘কে জানে ছয় পয়েন্ট যথেষ্ট কি না (আর্সেনালের জন্য)। কিন্তু ১৩ ম্যাচ অনেক এবং এফএ কাপ আছে। কারাবাও কাপ ফাইনালও। মার্চে ফিরছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং ইনজুরির ঘটনাও ঘটতে পারে।’
তিনি বলে গেলেন, ‘অন্যান্য দলগুলোও বিভিন্ন লক্ষ্যের জন্য খেলছে— কেউ ইউরোপীয় প্রতিযোগিতার স্থানের জন্য, কেউবা রেলিগেশন (অবনমন) এড়ানোর লড়াইয়ে লিপ্ত। অবনমন এড়ানোর লড়াইয়ে থাকা দলগুলোর বিপক্ষে খেলার মানে হলো, তারা টিকে থাকার জন্য জানপ্রাণ দিয়ে চেষ্টা করছে এবং এটি একটি সত্যিকারের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই।’
মৌসুম শেষ হওয়ার পাঁচ ম্যাচ আগে আর্সেনালকে স্বাগত জানাবে সিটি। এই ম্যাচ প্রসঙ্গে গার্দিওলার কথা, ‘সুতরাং অভিজ্ঞতা থেকে ১৩ ম্যাচ অনেক সময়। এটা খুব খুব কঠিন, কিন্তু সেখানে থাকা গুরুত্বপূর্ণ। এখন আমরা যেটা করতে পারি, আর্সেনালের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলা, ওখানেই থাকা। যদি তারা হোঁচট খায়, কোনো ভুলি করে, তার সদ্ব্যবহার করতে হবে। তাছাড়া তাদের সঙ্গে ঘরের মাঠে খেলা আছে আমাদের, সেই ম্যাচে অবশ্যই তাদেরকে হারাতে হবে।’
শেষ মুহূর্তে রায়ান শেরকি নিজ অর্ধ থেকে একটি শটে বল জালে জড়ান। কিন্তু বল জালে ঢোকার মুহূর্তে সোবোসলাই ও হালান্ডের টানাটানির কারণে ভিএআর-এর হস্তক্ষেপে গোলটি বাতিল হয়। একই সঙ্গে সিটিকে দেওয়া হয় ফ্রি কিক এবং নিশ্চিত গোলের সুযোগ নস্যাৎ করার কারণে সোবোসলাই পান লাল কার্ড।
গার্দিওলা বললেন, গোলটি বহাল রাখা উচিত ছিল। এবং শেরকিকে লাল কার্ড দেখানোর যৌক্তিকতা খুঁজে পাননি, ‘সাধারণ জ্ঞানে কী বলে? কতশত টানাটানি হওয়ার পরও তো রেফারি খেলা চালিয়ে যান। এটা গোল দেওয়া উচিত ছিল এবং খেলা চালিয়ে নেওয়ার সঙ্গে সোবোকেও খেলতে দেওয়া যেত।’
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট


















.jpg)

