সংগৃহীত
নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জাহেদুল হাসান জানান, সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যে বিশেষায়িত তিনটি ট্রাকে করে শনিবার পারমাণবিক জ্বালানির চালানটি প্রকল্প এলাকায় পৌঁছায়।
এ নিয়ে মোট চারটি চালান পারমাণবিক জ্বালানি প্রকল্প এলাকায় পৌঁছাল। এর মধ্যে প্রথম ইউনিটের জন্য অতিরিক্ত জ্বালানির দু’টি চালান এবং দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য দু’টি চালান রয়েছে।
এর আগে, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম জানায়, দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য মোট ১৬৩টি ইউরেনিয়াম জ্বালানি অ্যাসেম্বলি সাতটি কার্গো ফ্লাইটে পরিবহনের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া প্রথম ইউনিটের জ্বালানি পুনঃসংযোজনের জন্য অতিরিক্ত ৪৮টি জ্বালানি অ্যাসেম্বলি দু’টি চালানে আনা হবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, দুই ইউনিটের জন্য মোট নয়টি চালানে পারমাণবিক জ্বালানি বাংলাদেশে আনা হবে।
রাশিয়ার প্রযুক্তিতে নির্মিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুটি ভিভিইআর-১২০০ রিঅ্যাক্টর ইউনিট রয়েছে। এরই মধ্যে প্রথম ইউনিটটি ‘পাওয়ার স্টার্টআপ স্টেজ-সি’ পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।
গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বিএইআরএ) চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান প্রথম ইউনিটে স্টেজ-সি পর্যায়ের কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন দেন।
স্টেজ-সি পর্যায়ে রিঅ্যাক্টরের বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা ধীরে ধীরে বাড়ানো হবে। এ সময় বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, টারবাইন-জেনারেটর, পরিচালনব্যবস্থা ও নিরাপত্তাব্যবস্থার কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হবে।
এসব পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হলে প্রথম ইউনিটের জেনারেটর জাতীয় বিদ্যুৎ সঞ্চালন গ্রিডের সাথে যুক্ত করা হবে। এ প্রক্রিয়াকে ‘সিঙ্কোনাইজেশন’ বলা হয়।
সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে নভেম্বর মাসে প্রথম ইউনিট থেকে পরীক্ষামূলকভাবে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে কর্তৃপক্ষ।
তবে নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত শর্ত পূরণ এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়ার ওপর এ কার্যক্রম নির্ভর করবে।



















