সংগৃহীত
এরপর সেখান থেকে সড়ক পথে খুলনা যাবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মোংলায় দুটি এবং খুলনায় একটি নির্ধারিত কর্মসূচি রয়েছে। এছাড়া তিনি বাগেরহাট জেলা সদরে হজরত খান জাহান আলী (রহ.) মাজার জিয়ারত করবেন।
মোংলার কর্মসূচি শেষ করে সড়ক পথে প্রধানমন্ত্রী খুলনা যাবেন। খুলনা স্টেডিয়ামে নুতন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২) এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সারা দেশে তৃণমূল পর্যায় থেক প্রতিভা অন্বেষণে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে।
এদিকে খুলনায় প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে নেতাকর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা উৎফুল্ল। পুরো শহরকে পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। জেলা স্টেডিয়াম ও তার আশপাশের সড়ক নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২) এর রং-বেরংয়ের ব্যানার-ফেস্টুন দিয়ে সাজানো হয়েছে।
শিববাড়ি মোড় থেকে রেলস্টেশনের প্রধান ফটক পর্যন্ত দেওয়ালে আঁকা হয়েছে নানা গ্রাফিতি। এসব গ্রাফিতিতে তুলে ধরা হয়েছে খুলনার ইতিহাস ও ঐতিহ্য। স্থান পেয়েছে জুলাইয়ের অভ্যুত্থান স্মৃতি, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রতিকৃতি, সুন্দরবন, রয়েল বেঙ্গল টাইগার প্রভৃতির প্রতিকৃতি।
সরজমিন দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে লাগানো সব তোরণ ও বিলবোর্ড খুলে ফেলা হয়েছে। সরিয়ে ফেলা হয়েছে নেতাকর্মীদের লাগানো ফেস্টুন। এবারই প্রথম সরকার প্রধানের আগমনে যত্রযত্র তোরণ, ব্যানার-ফেস্টুন দেখা যাচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে পুরো খুলনা মহানগরীতে বসানো হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, প্রধানমন্ত্রী খুলনা আসবেন সেজন্য মহানগরকে পরিচ্ছন্ন, নান্দনিক ও দৃষ্টি নন্দন করা হয়েছে। আমরা আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে সাদরে অভ্যর্থনা জানাতে অপেক্ষায় আছি।














