• মঙ্গলবার   ০৬ ডিসেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২২ ১৪২৯

  • || ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

চায়না কমলার ব্যাপক ফলনে ইউসুফ আলীর ৩ লাখ টাকা আয়ের আশা!

দৈনিক বগুড়া

প্রকাশিত: ২২ নভেম্বর ২০২২  

বাজারে দুই ধরনের কমলার বেশ চাহিদা রয়েছে। একটি হলো দেশি সবুজ কমলা আরেকটি চায়না কমলা। এই চায়না কমলা চাষে সফল হয়েছেন যশোরের শার্শা উপজেলার চাষি ইউসুফ আলী। তার তিন বিঘা জমিতে করা চায়না কমলা বাগানের প্রতিটি গাছেই থোকায় থোকায় ঝুঁলছে মিষ্টি কমলা। তার বাগানটি দেখতে প্রতিদিন মানুষ ভীড় করছে। অনেকে উৎসাহিত হয়ে চায়না কমলা চাষের উদ্যোগও নিয়েছেন।

জানা যায়, চাষি ইউসুফ আলী যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারণ যাদবপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার তিন বিঘায় গড়ে তোলা চায়না কমলার বাগানটি এলাকার মানুষকে হতবাক করেছে। প্রায় প্রতিটি গাছেই থোকায় থোকায় ঝুঁলছে কমলা। আমাদের দেশেও যে চায়না কমলা উৎপাদন করা যায় তিনি সেটা প্রমান করে দিলেন। কমলার ভালো ফলনও হয়েছে। তার এই সফলতা দেখে অনেকে চায়না কমলা চাষের জন্য উদ্যোগ গ্রহন করেছেন।

চাষি ইউসুফ আলী বলেন, বিগত দুই বছর আগে ৩ বিঘা জমিতে ৩৫০টি চায়না কমলার চারা লাগিয়ে বাগান শুরু করি। এখন প্রায় প্রতিটি গাছেরই ভালো ফলন হয়েছে। এই দুই বছরেই প্রাতিটি গাছ থেকে প্রায় ৪০-৫০ কেজি ফলনের আশা করছি।

তিনি আরো বলেন, বাগানের গাছের পরিচর্যার জন্য ১৫ জন শ্রমিক কাজ করেন। বাজারে এই জাতের কমলার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ১ বিঘা জমিতে চায়না কমলার উৎপাদন করে সকল খরচ বাদ দিয়ে ২-৩ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব।

ইউসুফ আলী আরো বলেন, অনেক টাকা খরচ করে দেশের বাইরে না যেয়ে তরুন, শিক্ষিত যুবকরা চায়না কমলা চাষে ভালো আয় করতে পারবে। কৃষি বিভাগ থেকে কমলা চাষের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকলে মানুষের মধ্যে চায়না কমলা চাষের আগ্রহ সৃষ্টি হবে। ফলে ভবিষ্যতে বাণিজ্যিকভাবে কমলার উৎপাদন বাড়বে।

বাগান দেখতে আসা আলী হোসেন বলেন, দেশের মাটিতে চায়না কমলার এমন ফলন হবে সেটা কখনো ভাবিনি। চাষি ইউসুফ আলী আমাদের ধরনা পাল্টে দিয়েছে। তার বাগানের কমলা গুলো আকারে বড় ও সুস্বাদু।

শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ মন্ডল বলেন, দেশের আবহাওয়ায় চায়না কমলার ভালো ফলন এটা আমাদের জন্য সুখবর। আমরা চাষিদের সার্বিক সহযোগীতা করবো।

দৈনিক বগুড়া
দৈনিক বগুড়া