Warning: file_get_contents(http://ipwho.is/216.73.217.30): Failed to open stream: HTTP request failed! HTTP/1.1 429 Too Many Requests in /home/u483705982/domains/dainikbogura.com/public_html/details.php on line 126

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩

হঠাৎ স্ট্রোক বা বিপুল রক্তক্ষরণ হলে কী করবেন? জেনে নিন ৬ উপায়

হঠাৎ স্ট্রোক বা বিপুল রক্তক্ষরণ হলে কী করবেন? জেনে নিন ৬ উপায়

সংগৃহীত

বিপদ তো আর বলেকয়ে আসে না! চোখের সামনে হঠাৎ কেউ স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক কিংবা ভয়াবহ রক্তক্ষরণের শিকার হলে তাৎক্ষণিকভাবে কী করবেন? ছোটবেলায় স্কুলে শেখা প্রাথমিক চিকিৎসার কথা বড় হয়ে কজনেরই বা মনে থাকে! তাছাড়া গুরুতর এমন পরিস্থিতিতে শুধু ব্যান্ড-এইড বা ডেটল-তুলা দিয়েও সব সময় কাজ হয় না। রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য যে সময়টুকু লাগে, তার মধ্যেই ঘটে যেতে পারে বড় কোনো অঘটন।

তাই আপৎকালীন মুহূর্তে হাতের কাছের মানুষটির জীবন বাঁচাতে সবারই জেনে রাখা উচিত কয়েকটি তাৎক্ষণিক জীবনদায়ী কৌশল।

১. সবার প্রথমেই খেয়াল করুন, অসুস্থ ব্যক্তির শ্বাসপ্রশ্বাস কেমন চলছে। স্বাভাবিক নাকি দ্রুত? শ্বাসের গতি পরখ করলেই বোঝা যাবে অবস্থা কতখানি আশঙ্কাজনক।

২. বুকের বাঁ দিকে হাতের তালু দিয়ে চাপ দিয়ে বোঝার চেষ্টা করুন হৃৎপিণ্ডের গতি দ্রুত, ধীর নাকি স্বাভাবিক। নাড়ির স্পন্দন বা পালস পাওয়া যাচ্ছে কি না, তা বোঝার পদ্ধতিও জেনে রাখা দরকার।

৩. ‘চেস্ট কম্প্রেশন’ কীভাবে দিতে হয়, সে বিষয়ে অনলাইনে নিখুঁত ভিডিও পেয়ে যাবেন। আপৎকালীন এমন পরিস্থিতির জন্য সবারই এটি শিখে রাখা উচিত। প্রয়োজনে সঠিক পদ্ধতি মেনে অসুস্থ ব্যক্তির বুকের ওপর দুই হাত একত্র করে কয়েক দফা চাপ দিন। অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, মিনিটে ১০০ থেকে ১২০ বার এই কম্প্রেশন দিতে হবে।

৪. অসুস্থ ব্যক্তিটি যদি শ্বাস নিতে না পারেন অথবা তার পালস না পাওয়া যায়, তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী ‘সিপিআর’ বা ‘মাউথ টু মাউথ রিসাসিটেশন’ (মুখে মুখ রেখে শ্বাস দেওয়া) দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। তবে এ ধরনের যেকোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগেই সাধারণ প্রশিক্ষণ থাকা জরুরি।

৫. কোনো ব্যক্তি যদি গুরুতর আহত হন এবং তার শরীর থেকে অনবরত রক্ত ঝরতে থাকে, তবে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে ক্ষতস্থান শক্ত করে বেঁধে দিন। রক্তে কাপড় ভিজে উঠলে সেটি খুলে ফেলবেন না; বরং তার ওপর দিয়ে আরও কাপড় পেঁচিয়ে চাপ দিয়ে ধরে রাখুন।

৬. কাছের হাসপাতাল, নার্সিংহোম, ফায়ার সার্ভিস, এমনকি নিকটস্থ থানা জরুরি সেবার মোবাইল নম্বর অবশ্যই সব সময় হাতের কাছে রাখুন। নিজে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা তো করবেনই, এর পাশাপাশি দ্রুত হাসপাতালে মোবাইল করে সাহায্য চাইতে ভুলবেন না।

শুধু অসুস্থ ব্যক্তিই নন, এমন অবস্থায় যিনি প্রাথমিক চিকিৎসা দিচ্ছেন, তার শান্ত থাকাও সবচেয়ে বেশি জরুরি। মাথা ঠান্ডা না রাখলে কোনোভাবেই কার্যকর সাহায্য করা সম্ভব হবে না।

সূত্র: ঢাকা পোষ্ট

জনপ্রিয়

সর্বশেষ:

শিরোনাম: