শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

জিরা ভেজানো পানি পানের উপকারিতা

জিরা ভেজানো পানি পানের উপকারিতা

সংগৃহীত

রান্না করা খাবারে জিরার ব্যবহার হয়ে থাকে। মূলত রান্নায় স্বাদ আনতেই ব্যবহার করা হয় জিরা।কিন্তু এই জিরার আরও বহু গুণ রয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, জিরা পানির এই প্রাকৃতিক  উপাদানটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, ভিটামিন, অ্যান্টি-কার্সিনোজেনিক প্রপার্টিজ, কার্বোহাইড্রেট, মিনারেল এবং নানা সব উপকারী ফ্যাটি অ্যাসিড, যা নানাভাবে শরীরের উপকার করে থাকে।

চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক জিরা ভেজানো পানি পানের উপকারিতাগুলো:

(১) জিরা পানির মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন, এবং মিনারেল থাকে, যার ফলে হজম প্রক্রিয়া সহজ হয়। এই পানি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়েরিয়া, বমি বমি ভাব দূর হয়।

(২) শরীরের থেকে টক্সিক উপাদান পরিষ্কার করতে এই জিরা পানির জুড়ি মেলা ভার। সারা রাত পানি ভিজিয়ে রাখুন জিরা। সকালে খালি পেটে খান।এতে সারা দিন শরীর ঝরঝরে থাকে।

(৩) অনেকেই আছেন, যারা একটুতেই বিভিন্ন রোগের শিকার হন। তাদের জন্য জিরা পানি একদম যথাযথ টোটকা। কারণ, এতে ভিটামিন এ এবং সি থাকে।

(৪) অম্বলের সমস্যা থাকলে জিরা ভেজানো পানি খান। এতে লিভার সুস্থ থাকে।এবং সেই সাথে নিয়মিত জিরা পানি খেলে অতিরিক্ত ওজন এবং মেদ কমবে।

(৫) এই পানি নিয়মিত খেলে অনিদ্রা থেকে মুক্তি পাবেন। এছাড়া প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস করে জিরা পানি খাওয়ার অভ্যাস করলে শরীরে ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স যেমন ঠিক হয়ে যায়, তেমনি পটাশিয়ামের ঘাটতিও দূর হতে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্লাড প্রেসার কমতে শুরু করে।

(৬) জিরা পানি শরীরের চর্বি নিঃসরণে বিশেষ কার্যকর ভূমিকা রাখে। এতে দেহের ওজন তাড়াতাড়ি হ্রাস পায়। দেহের ওজন সঠিক মাত্রায় ফিরে আসে। জিরা পানি দিনে দুবার খেলে এটি পেটের ক্ষুধা কমিয়ে দেয়, যার ফলে খাওয়ার ইচ্ছাটা কমে যায়।

(৭) জিরায় আয়রন বিদ্যমান থাকায় হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বৃদ্ধিতে রক্তশূন্যতা দূর করে। এতে শারীরিক সমস্যা দূর হয়।

সূত্র: ডেইলি বাংলাদেশ

সর্বশেষ: