রোববার, ১৯ মে ২০২৪, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

সারিয়াকান্দিতে বাঙালি নদী তীর সংরক্ষণের কাজ এগিয়ে চলেছে

সারিয়াকান্দিতে বাঙালি নদী তীর সংরক্ষণের কাজ এগিয়ে চলেছে

সারিয়াকান্দিতে বাঙালি নদীতীর সংরক্ষণের কাজ এগিয়ে চলেছে। দৃষ্টিনন্দন হয়ে উঠেছে বাঙালি পাড়। বাঙালি করতোয়া ফুলজোর হুরাসাগর নদীর পুনঃখনন এবং নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় বগুড়া সারিয়াকান্দির বাঙালি নদীর তীর সংরক্ষণের কাজ এগিয়ে চলেছে। এ প্রকল্পের আওতায় সারিয়াকান্দি সোনাতলা ধনুট উপজেলায় ২৮ টি প্যাকেজে মোট ১৯ দশমিক ৫৭ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

এ প্রকল্পের আওতায় এ উপজেলার মোট ৬ টি প্যাকেজের মাধ্যমে বাঙালি নদীতীর সংরক্ষণ হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন পয়েন্টের কাজগুলো প্রায় অর্ধেক শেষ হয়েছে। এতে বাঙালি নদীতীর দৃষ্টিনন্দন হয়ে উঠেছে। বাঙালি নদীতীরের এ অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে নতুন পুরাতন পর্যটকদের আগমন ঘটেছে। তারা নিজেদের ক্যামেরাবন্দী করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

এদিকে নদীতীর সংরক্ষণ কাজ করায় এ উপজেলার বাঙালি নদীর ভাঙন থেকে চিরতরে রক্ষা পাচ্ছেন এলাকাবাসী। উপজেলার কর্ণিবাড়ী ইউনিয়নের মাছিরপাড়ার একটি পয়েন্টের প্রায় ৭০ শতাংশ কাজ সমাপ্ত হয়েছে। বাঙালি নদীর বাম তীর ঢালু করে সাজানো হয়েছে সিসি ব্লক।

বগুড়া জেলা উপ সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল হাই জানান, বগুড়ায় বাঙালি নদীতীর সংরক্ষনের কাজ গড়ে ৫৫ ভাগ হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে মাছিরপাড়া পয়েন্টের কাজ প্রায় ৭০ ভাগ হয়েছে। এ উপজেলার ৬ টি পয়েন্টের মধ্যে ৪ টি পয়েন্টের কাজ এ অর্থবছরের জুনের মধ্যেই শেষ হবে। অন্যগুলো আগামী জুনের মধ্যই করা হবে।

বগুড়া জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল হকের সাথে তিনি বলেন, বাঙালি নদী পুন:খননের ফলে ইতিমধ্যেই নদীর নাব্যতা ফিরে পেয়েছে। ফলে এ জনপদের বাসিন্দারা এখন নদীপথে স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে শুরু করেছেন।

অপরদিকে বাঙালী নদীতীর সংরক্ষণ কাজ বাস্তবায়ন হওয়ায় এর তীরবর্তী এলাকার বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান এবং বসতবাড়ীগুলো নদী ভাঙনের হাত থেকে স্থায়ীভাবে রক্ষা পাচ্ছে। গড়ে শতকরা ৫৫ ভাগ কাজ এ পর্যন্ত সম্পন্ন হলেও আশা করা যাচ্ছে আগামী অর্থবছরের জুনের মধ্যেই শতভাগ কাজ সম্পন্ন করা হবে।

দৈনিক বগুড়া

সর্বশেষ: