সংগৃহীত
২০২৩ সালে জাতীয় দল থেকে বাদ পড়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। শুরুতে তাকে বিশ্রামের কথা বললেও আদতে বাদ ছিলেন তিনি। যা নিয়ে ওই সময়ে অনেক কথাই হয়েছে। তবে বরাবরই মাহমুদউল্লাহ এ বিষয়ে ছিলেন নীরব। সবশেষ একটি পডকাস্টে এ বিষয়ে নীরবতা ভাঙলেন তিনি।
মাহমুদউল্লাহ বলেন, “ইংল্যান্ড সিরিজ ছিল মার্চে, চিটাগংয়ে একটা ম্যাচ, তামিম অধিনায়ক। ম্যাচের পর তামিম আমার কাছে এসে বলল, ‘রিয়াদ ভাই টিম ম্যানেজমেন্ট থেকে সিদ্ধান্ত এসেছে পরবর্তী দুইটা সিরিজে আপনাকে বিশ্রাম দেবে।’ তামিম বলল, দুইটা সিরিজ নতুন খেলোয়াড়দের দেখবে। যেহেতু সামনে বিশ্বকাপ এজন্য নতুন কয়েকজন খেলোয়াড়কে দেখতে চায়। পরে আমি শুধু একটা মুচকি হাসি দিয়ে তামিমের দিকে তাকিয়ে বললাম, ‘আচ্ছা।’ আমি জানতাম কী হতে যাচ্ছে।”
পরে সেই বছর বিশ্বকাপের আগের কথা জানিয়ে মাহমুদউল্লাহ বলেন, ‘বিশ্বকাপের আগে হতবাক করা নিউজটা এলো, ২৬ জনের দল ঘোষণা হলো। কিন্তু আমি ছিলাম না। খুব সম্ভবত নির্দিষ্ট ওই বছরে আমি বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলাম। আমি জানি না কেন এসব হয়েছে। ২৬ জনের মধ্যে থাকার মতো সামর্থ্য আমার আছে, ছিল বলে আমি মনে করি। এখানে তো আমার কিছু করার নাই। নির্বাচক, টিম ম্যানেজমেন্ট, তথাকথিত টিম ম্যানেজমেন্ট এটার অংশ। তারা এটা ঠিক করেছিল।’
পরে জাতীয় দলে ডাক পাওয়া নিয়ে তার কথা, ‘নিউজিল্যান্ড সিরিজে আমি আবার ফিরে আসি। খুব সম্ভবত টিম ম্যানেজমেন্ট ওই সময় চায় নাই। জোর করেই নিতে হয়েছে, কারণ অনেক খেলোয়াড়ই ব্যর্থ হয়েছে। তারপর আমি কামব্যাক করলাম, প্রথম ম্যাচে হয়ত ৪৯ রানের মতো করেছিলাম। তারপর আমি বিশ্বকাপে গেলাম।’
আক্ষেপ নিয়ে তিনি বললেন, ‘আমি একটা কথা সবসময় বিশ্বাস করি, যেকোনো খেলোয়াড় সে যদি এতদিন ধরে দলের জন্য সার্ভিস দেয় এতটুকু সম্মান পাওয়া উচিত। এটা যেকোনো খেলোয়াড়ের ক্ষেত্রে। এজন্যই ওই সময়ের নির্দিষ্ট ওই টিম ম্যানেজমেন্ট ও টিম সিলেক্টরের প্রতি একই ধরনের সম্মান নেই।’
এসএইচ/এফএইচএম
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট
.webp)


















