শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

ইসলামিক জীবন

রোজাদারকে ইফতার করানোর সওয়াব ও ফজিলত

রোজাদারকে ইফতার করানোর সওয়াব ও ফজিলত

caption

মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনুর কারিমে রমজান মাসের রোজা ফরজ হওয়া প্রসঙ্গে  বলেন, يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ

অর্থ: ‘হে মুমিনগন! তোমাদের জন্য রোজা ফরজ করা হলো, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর, যেন তোমরা মুত্তাকি হও’। (সূরা: বাকারা, আয়াত: ১৮৩)

রোজাদারকে ইফতার করানোর সওয়াব ও ফজিলত

একজন রোজাদার মুমিন মুসলমানের বিশেষ এক আমল হলো রমজান মাসে রোজাদারকে ইফতার করানো। এ বিশেষ আমলের বিনিময়ে মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তাআলা বান্দাকে ক্ষমা করে দেন।

এ ছাড়াও রমজান মাসে রোজাদারকে ইফতার করানোতে রয়েছে অনেক সওয়াব ও ফজিলত। অন্য রোজাদারকে ইফতার করানোকে দয়ার নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সওয়াব বৃদ্ধির আমল এবং গুনাহ মাফের আমল হিসেবে ঘোষণা করেছেন।

হাদিসে এসেছে- যায়েদ ইবনে জুহানি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রোজাদারকে ইফতার করালো, তারও রোজাদারের ন্যায় সওয়াব হবে, তবে রোজাদারের সওয়াব বা নেকি বিন্দুমাত্র কমানো হবে না’। (তিরমিজি, ইবনে মাজাহ, নাসাঈ)

ইমরান ইবনু মূসা আল-কাযযায (রহ.) আবূ হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: তোমাদের রব বলেছেন, প্রতিটি নেক কাজের প্রতিদান হলো দশগুণ থেকে সাতশ গুণ পর্যন্ত। রোজা হলো আমারই জন্য। সুতরাং আমি নিজে এর প্রতিদান দিব। রোজা হলো জাহান্নাম থেকে ঢাল স্বরুপ। রোজা পালনকারীর মুখের গন্ধ আল্লাহর নিকট মিশক আম্বরের গন্ধের চেয়েও অধিক পছন্দনীয়। রোজা পালন অবস্থায় কোনো জাহিল (মূর্খ) যদি তোমাদের কারো সঙ্গে মূর্খতা প্রদর্শন করে তবে সে যেন বলে আমি তো রোজা পালন করছি।

তালীকুর রাগীব ২/৫৭-৫৮, সহিহ আবু দাউদ ২০৪৬, তিরমিজী হাদিস নম্বর: ৭৬৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]

সর্বশেষ: